মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হচ্ছে রাশিয়া!

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হচ্ছে রাশিয়া!
আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়ায় বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা। দিন দিন ইসলাম ধর্মের দিকে ঝুঁকছেন দেশটির মানুষ। আর তাই আগামী ১৫ বছরের মধ্যে দেশটির মোট জনসংখ্যার ৩০ ভাগই হবে মুসলিম। আর আগামী ৩০ বছরের মধ্যে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ হবে মুসলিম।

সোমবার রাশিয়ার ফেডারেল অ্যাসেম্বলির নিম্নকক্ষে ‘স্টেট ডুমা’ আয়োজিত এক ফোরামে দেশটির অর্থোডক্স চার্চের প্রধান যাজক দিমিত্রি স্মির্নভ এসব তথ্য তুলে ধরেন। খবর দ্যা মস্কো টাইমসের।

এদিকে রাশিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি রাভিল জাইনুদ্দিন বলেন, যে হারে মুসলিম সংখ্যা বৃদ্ধি হচ্ছে সেভাবে মসজিদ নির্মাণ হচ্ছেনা রাশিয়ায়। আর এ কারণে নামাজ আদায়ে মসজিদের সংকট দেখা দিয়েছে সেখানে।

স্থানীয় অধিবাসীরা বলছেন, দিন দিন মুসলিমের সংখ্যা বাড়তে থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
রাভিল জাইনুদ্দিনের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে ওই ফোরামে দিমিত্রি স্মির্নভ বলেন, রাশিয়ায় মুসলিম জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির হার এভাবে অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে মুসলিমরাই হবে রাশিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী।
নামাজ আদায়ে আরও অনেক মসজিদ নির্মাণ করতে হবে জানিয়ে গ্র্যান্ড মুফতি রাভিল জাইনুদ্দিন বলেন, ২০১৮ সালে রাশিয়ার মসজিদগুলোতে প্রায় ৩২ লাখ মুসলিম অংশগ্রহণ করেছে। এ সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২০১৮ সালের হিসা

ব অনুযায়ী, রাশিয়ার মোট জনসংখ্যা ছিল ১৪৬.৮ মিলিয়ন। এর মধ্যে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ২০ কোটি, যা রাশিয়ার মোট জনসংখ্যার ১৫ শতাংশ।
রাশিয়ায় নর্থ কাউকাসুস ও তাতারাস্তান অঞ্চল দুটি দেশটির মুসলিম প্রধান অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। আর এই দুই প্রজাতন্ত্রে উচ্চহারে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার জনপরিসংখ্যান রিপোর্ট।

আরও সংবাদ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারে ছয়জনের ইসলাম গ্রহন

গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর গাজীপুরের কাপাসিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একই পরিবারের ছয়জন আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

এরা হলেন- উপজেলার সিংহশ্রী ইউনিয়নের কুলগঙ্গা গ্রামের অনিল চন্দ্র দাস (৭০), তার স্ত্রী শ্রীমতি রুনুবালা দাস (৬৫), ছেলে ঝন্টু দাস (৪০), ঝন্টু দাসের স্ত্রী শ্রীমতি লতা রানী দাস (৩৫), তাদের ছেলে জয়ন্ত দাস (১০) ও সৌরভ দাস (৭)।

ইসলাম গ্রহণের পর অনিল চন্দ্র দাসের নতুন নাম রাখা হয় মো. আতিকুল্লাহ, রুনুবালা দাসের নাম মোছা. রাবেয়া খাতুন, শ্রী ঝন্টু দাসের নাম মো. জাহাঙ্গীর আলম জসিম, লতা রানী দাসের নাম আয়শা খাতুন, শ্রী জয়ন্ত দাসের নাম মো. জাবের আহমেদ ও শ্রী সৌরভ দাসের নাম মো. আসাদ উল্লাহ রাখা হয়।

সিংহশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশ্রাফ উদ্দিন খান আল আমিন জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় কুলগঙ্গা মসজিদে এসে শত শত মুসল্লির সামনে প্রথমে ওই পরিবারের তিন সদস্য ঝন্টু দাস, জয়ন্ত দাস ও সৌরভ দাস স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে নওমুসলিম মো. জাহাঙ্গীর আলম জসিম ও তার বাবা আতিকুল্লাহ বলেন, আমরা স্বেচ্ছায় শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করেছি। আমাদেরকে কেউ চাপ দিয়ে ধর্মান্তরিত করেনি।