আল্লাহর রহমত, যুক্তরাজ্যে আটতলা থেকে পড়েও বেঁচে গেল বাংলাদেশি শিশু

পূর্ব লন্ড‌নের বাঙালি পাড়ায় এক‌টি বহুতল ভবনের ৮তলা থে‌কে পড়ে গিয়েছে চার বছর বয়সী একটি শিশু। তবে এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে গেলেও গু’রুতর আ’হত হয়েছে শিশুটি। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় শিশু‌’টি‌কে হা’সপাতালে নেওয়া হ‌য়।
শিশুটির মা-বাবা দুজ‌নই ব্রিটিশ বাংলাদেশি বলে জানা গেছে। লন্ডন মে‌ট্রোপ‌লিটন পু’লিশের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা এ ঘ’টনায় তদন্ত শুরু করেছেন।

(২৭ জুলাই) সোমবার বিকালে পূর্ব লন্ড‌নের ই ওয়ান এলাকার এক‌টি ব’হুতল ভবনের সামনের রাস্তায় শিশু‌’টিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সেখানে পু’লিশের পাশা’পাশি অ্যাম্বুলেন্সও আসে। তারা শিশু‌’টি‌কে হা’সপাতালে নি‌য়ে যায়।

সরেজমিন, লন্ডন সময় রাত তিনটায় অল সেইন্টস ডিএলআর স্টেশনের অদূরে ঘটনাস্থলে গি‌য়ে দেখা যায়, পুরো সড়‌কে যান চলাচল ব’ন্ধ ক‌রে ঘটনা’স্থল ঘি‌রে রে‌খে‌ছে পু’লিশ। কর্তব্যরত একজন পু‌’লিশ কর্মকর্তা জানান, শিশু‌টি‌কে আই’সিইউতে রাখা হ‌য়ে‌ছে।
টাওয়ার হ্যাঘম‌লেটস পু‌’লি‌শের পক্ষ থে‌কে এ দু’র্ঘটনার সাক্ষ্য কিংবা তথ্য দি‌তে স’ক্ষম এমন ব্যক্তিদের তাৎক্ষনিক পু‌লি‌শের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

আরও সংবাদ

সোমালিয়ানদের লিবিয়ায় পাঠাচ্ছে তুরস্ক ও কাতার!

তুরস্ক ও কাতার দুই হাজারের বেশি সোমালিয়ানকে ভাড়া করেছে। তাদের লিবিয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একোর্ডের (জিএনএ) সশস্ত্র বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সোমালিয়ান গণমাধ্যম সোমালি গার্ডিয়ানের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল আরাবিয়া।

জিএনএ’র সমর্থিত সশস্ত্র বাহিনী

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বেশ কিছু সোমালিয়ান যুবক দোহা ও আঙ্কারা কর্তৃক কাজ পেয়েছে। এছাড়া লিবিয়ায় বর্তমানে অগণিত সোমালিয়ান যুবক সম্মুখযুদ্ধে নিজেদের নিয়োজিত করে রেখেছে। বাকিরাও এতে অংশগ্রহণের অপেক্ষায় আছে।

কাতারের নাগরিকত্ব দেয়ার শর্তে সোমালিয়ান যুবকদের লিবিয়ায় সহিংসতায় অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। আর সোমালিয়ানরা দারিদ্র্য ও বেকারত্ব থেকে বাঁচতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ কাজ করছে।

২০১১ সালে লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে চলে আসছে সহিংসতা। খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (এলএনএ) সঙ্গে দীর্ঘদিন বিরোধিতা করে আসছে জিএনএ।

জিএনকে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক। আর এলএনএকে সমর্থন দিচ্ছে মিশর, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত। উভয় পক্ষকেই এসব রাষ্ট্র থেকে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন রকম সমর্থন ও সরঞ্জাম।

তবে সবকিছু পাল্টে যেতে শুরু করে তুরস্ক কর্তৃক জিএনএকে সমর্থন দেয়ার পর। সোমালিয়ানদের পাশাপাশি সিরিয়ার যোদ্ধাদেরও ভাড়া করে লিবিয়ায় নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ আছে তুরস্কের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, রাশিয়াও সিরীয় যোদ্ধাদের ভাড়া করে লিবিয়ায় পাঠাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সম্প্রতি মার্কিন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, লিবিয়ায় অস্ত্রশস্ত্র পাঠাচ্ছে রাশিয়া