পাকিস্থানে সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ করা হলো সব ধরনের যৌতুক

আনুষ্ঠানিকভাবে যৌতুক নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান। সরকারি এমন সিদ্ধান্তের ফলে বর বা তার পরিবার কনে পক্ষের কাছ থেকে আর যৌতুক নিতে পারবে না। খবর দ্য নেশনের।

পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশটিতে চলমান প্রথাগত যৌতুক বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে একজন বর ও তার পরিবার কনে পক্ষের কাছ থেকে যৌতুক দাবি করে এবং পরে তা সবার জন্য প্রদর্শন করে।

কনে পক্ষ যেসব উপহার ও যৌতুক দেয় তা কনের নিকাহ নামায় লিপিবদ্ধ করা হয়। কিন্তু নতুন আইন অনুযায়ী, এ ধরনের প্রথাগত কোনও কিছু যৌতুক হিসেবে দেয়া বা নেয়া যাবে না।

সেক্ষেত্রে যৌতুক হিসেবে কনেকে কেবল কাপড় এবং বেড শিট দেয়া যাবে। আর তালাক হয়ে গেলে, বর যেসব উপহার ও যৌতুক নিয়েছিল তা ফেরত দিতে হবে কনেকে।

আরও সংবাদ

সেনা প্রত্যাহার না করলে মার্কিন সেনাদের উপর হামলা চালানো হবে: কাতাইব হিজবুল্লাহ

কাতাইব হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা, সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ে যাদের ছিল গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা
কাতাইব হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা, সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ে যাদের ছিল গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা
ইরাকের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী প্রতিরোধকামী সংগঠন কাতাইব হিজবুল্লাহ বলেছে, ইরাক থেকে যদি মার্কিন সরকার তাদের সেনা প্রত্যাহার করে নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে আমেরিকার সেনাদের ওপরে তারা হামলা চালাবে। সে ক্ষেত্রে কাতাইব হিজবুল্লাহর হাতে যত ধরনের অস্ত্র আছে তার সবই মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে প্রতিরোধকামী এ সংগঠনটি।

ইরাকের জাতীয় সংসদ প্রায় এক বছর আগে সর্বসম্মতভাবে একটি প্রস্তাব পাস করেছে যাতে ইরাকের মাটি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। কাতাইব হিজবুল্লাহ বলছে ওই আহ্বান উপেক্ষা করে আমেরিকা যদি ইরাকের মাটিতে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখে তাহলে তাদের সামনে মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।

ইরাকের প্রতিরোধকামী সংগঠনের যোদ্ধারা
গত শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে ইরাকের প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলোর ফ্রন্ট হাশদ আশ-শাবি শর্তসাপেক্ষে মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করার বিষয়ে একমত হওয়ার কথা জানিয়েছে। তারা বলেছে, ইরাকের মাটি থেকে আমেরিকা যদি দ্রুত মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে তারা রকেট হামলাসহ সব ধরনের হামলা বন্ধ করবে।

ইরাকি প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে যৌথ ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ইরাকের জাতীয় পর্যায়ের কিছু সম্মানিত ব্যক্তিত্ব এবং রাজনীতিবিদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে তারা মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে আমেরিকা নির্বিঘ্নে ইরাকের মাটি থেকে তাদের সেনা সরিয়ে নেয়ার সুযোগ পায়।

চলতি বছরের প্রথম দিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন সেনারা ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কএসম সোলাইমানিকে হত্যার কয়েকদিন পরেই ইরাকের জাতীয় সংসদ দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে একটি সর্বসম্মত প্রস্তাব পাস করে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয় নি।