ধর্ষণের জন্য ভারতীয় চলচ্চিত্র দায়ী: ওলামা লীগ

১২ দফা দাবিতে মানববন্ধন ধর্ষণের জন্য ভারতীয় চলচ্চিত্রকে দায়ী করল ওলামা লীগ । সাম্প্রতিককালের ধর্ষণের হার বেড়ে যাওয়ার পেছনে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে দায়ী করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ দল।

আজ সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ১২ দফা দাবিতে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ মন্তব্য করা হয়। মানববন্ধনকালীন বক্তব্যে নেতারা বলেন, এদেশে এতদিন যাবত কোন ধর্ষণ প্রবণতা ছিল না। এখন এটা মহামারিরূপে ছড়াচ্ছে।

এর পেছনে মূল কারণ হলো স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রচার প্রসার। কাজেই এদেশে ধর্ষণ প্রবণতা রুখতে হলে ভারতীয় চলচ্চিত্র, পর্নোগ্রাফি ইত্যাদি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সবাবেশ থেকে ১২ দফা দাবি জানানো হয়।

সমাবেশ ও মানববন্ধনে সমন্বয় করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি পীরজাদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী, (পীর সাহেব, টাঙ্গাইল)। বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আলহাজ কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী,

সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি আলহাজ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, মাওলানা মুহম্মদ শওকত আলী শেখ ছিলিমপুরী, দপ্তর সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ,

লায়ন আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ আবু বকর সিদ্দিক, সহ সভাপতি মাওলানা মুহম্মদ শোয়েব আহমেদ গোপালগঞ্জী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল জলিল প্রমুখ।

সুত্র: বিডি প্রতিদিন

আরো পড়ুন-ভয়াবহ সুনামি থেকে কিভাবে রক্ষা পেয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার মসজিদগুলো?

ইন্দোনেশিয়ার বান্দা আচেহ শহরে বেশ কয়েক বছর আগে ভয়াবহ সুনামি আঘাত হেনেছিল। যে সুনামির প্রভাব পড়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সুনামির তাণ্ডবে সেখানে শুধু বেশ কিছু মসজিদ অক্ষত অবস্থায় ছিল।

মসজিদগুলোতে আশ্রয় নেওয়া মানুষজন ওই সময় প্রাণে বেঁচে যায়। এ কারণে পরবর্তী সময়ে বেড়ে যায় তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস।

স্থপতিরা বলছেন, সেখানকার অন্য ভবনগুলোর তুলনায় মসজিদগুলো শক্তপোক্ত করে নির্মাণ করা। অন্য ভবনগুলো নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করার কারণে সুনামিতে ধ্বংস হয়ে গেছে।

তবে সুনামিতে বেঁচে যাওয়া বহু মানুষের বিশ্বাস, সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় মসজিদগুলো রক্ষা পেয়েছে। সুনামির সময় বায়তুর রহমান গ্র্যান্ড মসজিদে আশ্রয় নেওয়া আহমেদ জুনাইদি বলেন,

ওই সময় রক্ষা পাওয়ার কারণ হলো, এটা আল্লাহর ঘর। যিনি নিজেই সুনামি তৈরি করেছেন। তা থেকে তিনিই রক্ষা করেছেন।

জানা গেছে, ১৮৮১ সালে ডাচ উপনিবেশের অধিকারীরা ওই মসজিদ নির্মাণ করেছেন। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভয়াবহ সুনামিতে দুই লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। তবে শহরটির মসজিদগুলো ওই ঘটনায় টিকে যায়।

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ শহরে বেশির ভাগ মানুষই মুসলমান। আল্লাহর প্রতি ভয় উঠে যাওয়ার কারণে ভয়াবহ ওই দুর্যোগ নেমে এসেছিল বলেও বিশ্বাস করেন অনেকে।

শাইখ কুয়ালা ইউনিভার্সিটির স্থপতি মির্জা ইরওয়ানশাহ বলেন, সুনামির সময় অন্তত ২৭টি মসজিদ অক্ষত ছিল। সুনামির পর সেই মসজিদগুলোর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছিল।

আসলে ওই মসজিদগুলোর নির্মিত ছিল কাঠামো মেনে এবং উন্নত সামগ্রী ব্যবহার করে। ইউরোপিয়ানরা মসজিদগুলো নির্মাণ করেছিল বহু বছর টিকে থাকার মতো করেই।

অন্যদিকে রেজা নাসিমি সুনামি দেখেছেন চোখের সামনে। তিনি বলেন, বহু মানুষের দেহ ভেসে যেতে দেখেছিলাম মসজিদের ছাদে দাঁড়িয়ে। আমি দ্বিতীয় জীবন পেয়েছি। আমি সত্যিই ভাগ্যবান। জীবনে ভালো কিছু করার ইচ্ছা পোষণ করি ওই সময়ের পর থেকে।

সূত্র : দ্য ন্যাশনাল।