জরুরি অবস্থা অগ্রাহ্য করে থাইল্যান্ডে রাজতন্ত্রবিরোধী বিক্ষোভ

থাইল্যান্ডে জরুরি অবস্থা অগ্রাহ্য করে রাজার ক্ষমতা খর্ব ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে জমায়েত করেছে বিক্ষোভকারীরা। সরকার বিক্ষোভ থামাতে জরুরি অবস্থা জারি এবং সমাবেশ ও স্পর্শকাতর সংবাদ প্রকাশ নিষিদ্ধ করলেও প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ঘোষণা করেছে দেশটির ফ্রি ইয়ুথ গ্রুপ।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় জরুরি অবস্থা কার্যকর হয়। ফেসবুকে ‘খানা রাতসাডোন ২৫৬৩’ (পিপলস পার্টি ২০২০) ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন অন্যায়ভাবে তাদের চার নেতাকে গ্রেফতার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সাথে তারা ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারিকে সরকারের ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছে। জরুরি অবস্থা জারি হলেও ফ্রি ইয়ুথ গ্রুপ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বিক্ষোভের ডাক দেয়।

জরুরি অবস্থা কার্যকর হওয়ার পরপরই দাঙ্গা পুলিশ প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচার কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নিয়ে থাকা বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীরা অস্থায়ী ব্যারিকেড তৈরি করে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেও পারেনি। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়ার পর রাস্তায় কয়েক শ’ পুলিশ দেখা গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে অন্তত ২০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতারের কথা বলা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজন নেতাও রয়েছেন। গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন মানবাধিকার আইনজীবী অ্যানন নামপা, ছাত্রনেতা পারিত চিওয়ারাক, যিনি ‘পেঙ্গুইন’ নামে পরিচিত এবং পানুসায়া সিথিজিরাওয়াতানাকুল।

জারি করা জরুরি ডিক্রিতে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘ভীতিকর’ ও ‘জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকি’ তৈরি করতে পারে এমন সংবাদ প্রকাশও নিষিদ্ধ করা হয়েছে এতে। জরুরি অবস্থা জারির ফলে যেকোনো সুনির্দিষ্ট এলাকায় মানুষের প্রবেশ আটকাতে পারবে কর্তৃপক্ষ। দেশটির সরকার বলছে, রাজকীয় মোটর শোভাযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এই জরুরি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জারি করা জরুরি ডিক্রি থাই পুলিশের পক্ষ থেকে টেলিভিশনে প্রচারিত হয়।

আরও পড়ুন: জরুরি অবস্থা অগ্রাহ্য করে থাইল্যান্ডে রাজতন্ত্রবিরোধী বিক্ষোভ

থাইল্যান্ডে জরুরি অবস্থা অগ্রাহ্য করে রাজার ক্ষমতা খর্ব ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে জমায়েত করেছে বিক্ষোভকারীরা। সরকার বিক্ষোভ থামাতে জরুরি অবস্থা জারি এবং সমাবেশ ও স্পর্শকাতর সংবাদ প্রকাশ নিষিদ্ধ করলেও প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ঘোষণা করেছে দেশটির ফ্রি ইয়ুথ গ্রুপ।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় জরুরি অবস্থা কার্যকর হয়। ফেসবুকে ‘খানা রাতসাডোন ২৫৬৩’ (পিপলস পার্টি ২০২০) ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন অন্যায়ভাবে তাদের চার নেতাকে গ্রেফতার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সাথে তারা ব্যাংককে জরুরি অবস্থা জারিকে সরকারের ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছে। জরুরি অবস্থা জারি হলেও ফ্রি ইয়ুথ গ্রুপ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বিক্ষোভের ডাক দেয়।

জরুরি অবস্থা কার্যকর হওয়ার পরপরই দাঙ্গা পুলিশ প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচার কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নিয়ে থাকা বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীরা অস্থায়ী ব্যারিকেড তৈরি করে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেও পারেনি। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়ার পর রাস্তায় কয়েক শ’ পুলিশ দেখা গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে অন্তত ২০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতারের কথা বলা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজন নেতাও রয়েছেন। গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন মানবাধিকার আইনজীবী অ্যানন নামপা, ছাত্রনেতা পারিত চিওয়ারাক, যিনি ‘পেঙ্গুইন’ নামে পরিচিত এবং পানুসায়া সিথিজিরাওয়াতানাকুল।

জারি করা জরুরি ডিক্রিতে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘ভীতিকর’ ও ‘জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকি’ তৈরি করতে পারে এমন সংবাদ প্রকাশও নিষিদ্ধ করা হয়েছে এতে। জরুরি অবস্থা জারির ফলে যেকোনো সুনির্দিষ্ট এলাকায় মানুষের প্রবেশ আটকাতে পারবে কর্তৃপক্ষ। দেশটির সরকার বলছে, রাজকীয় মোটর শোভাযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এই জরুরি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জারি করা জরুরি ডিক্রি থাই পুলিশের পক্ষ থেকে টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। রয়টার্স ও আলজাজিরা