ঘুমন্ত ১৩ জেলেকে নিয়ে ডুবে গেল নৌকা

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুপ দ্বীপ এলাকায় মাছ ধরার নৌকা ডুবে বেচন (২৩) নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন। এ ঘটনায় ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে তিনটা থেকে ৪টার দিকে উপজেলার নিঝুম দ্বীপের ১২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ক্যাডার চর সংলগ্ন মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় এ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে নৌকাডুবিতে নিহত জেলে বেচনের (২৩) মরদেহ উপজেলার আমতলী বাজার সংলগ্ন নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি জাহাজমারা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গোলাম মাওলার ছেলে।

এছাড়া নিখোঁজ জেলে মো. সোহাগ (১৩) জাহাজমারা ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের মো. আব্দুর জাবেরের ছেলে। হাতিয়া থানার ওসি মো.আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ।

গভীর রাতে ১৩ জন জেলেসহ মাছ ধরার নৌকাটি জোয়ারের পানির আঘাতে ডুবে যায়। তখন নৌকার সকল জেলে ঘুমে ছিলেন। ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

আরো পড়ুন: ৫০০ বছরের পুরনো কোরআন, রং ও উজ্জ্বলতা এখনো অক্ষুণ্ণ !

এক ধরনের চীনা কাগজে লিখিত কোরআনের দৃষ্টিনন্দন পান্ডুলিপি ‘তিমুরিদ কোরআন’। বিভিন্ন দৃশ্য সংবলিত অলংকৃত পাতায় রংতুলির আঁচড়ে লিখিত এ কোরআন দেখতে বেশ নান্দনিক। চমৎকার অলংকৃত কোরআনের এমন পান্ডুলিপি তৈরিতে সময়ও লাগে অনেক বেশি।

১৫০০ শতাব্দীতে মিং রাজবংশের সময়কার এ তিমুরিদ কোরআন। এটি বিশেষ ধরনের চাইনিজ পেপারে সোনার প্রলেপের ডিজাইনে লিখিত। এত বছর পরেও কোরআনের এ পান্ডুলিপিটি স্বচ্ছ ও নিখুঁত। এটির রং ও উজ্জ্বলতা এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে। সিল্কি জমিনে নিখুঁত অলংকরণ এবং সোনার হরফে লেখাগুলো উজ্জ্বল-বিভাময়।

সুন্দর ও নিখুঁত এ সৃজনশীল কর্ম দেখলেই অন্যরকম ভাবাবেগ লাগে। চমৎকার ও দৃষ্টিনন্দন এ পান্ডুলিপিটি নিলামে বিক্রি হতে যাচ্ছে। আগামী ২৫ জুন লন্ডনে এর নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন একজন হবেন ১৫০০ শতাব্দীতে লিখিত দৃষ্টিনন্দন তিমুরিদ কোরআনের পান্ডুলিপির গর্বিত মালিক।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা ৮০০ ডলার থেকে এর বিট শুরু হবে, যা ১.২ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। জানা গেছে, তিমুরিদ কোরআনটির আকর্ষণীয় এ পান্ডুলিপির ইতিমধ্যে কয়েকজন বিটকারী যোগাযোগও করেছেন।

তবে তত্ত্বাবধায়করা চাচ্ছেন, নিলামেই এটির মূল্য নির্ধারণ করতে।

আরো পড়ুন-প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন বাইডেনই: ট্রাম্প

সদ্য হওয়া তিনটি জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত, তাঁকে বেশ খানিকটা পিছনে ফেলে দিয়েছেন তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। একটি খবরের চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও প্রায় বলেই ফেললেন যে, বাইডেনই প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন, কারণ দেশের কিছু মানুষ তাঁকে ভালবাসেন না।

সাক্ষাৎকারের শুরুটা হয়েছিল বাইডেনকে আক্রমণ করেই। অতিমারি মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যর্থতা এবং লকডাউনের জেরে আর্থিক মন্দা নিয়ে দেশের তাবড় সেলিব্রিটিরা পর্যন্ত মুখ খুলেছেন।

সেই সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষ-বিরোধী আন্দোলনে ট্রাম্পের সেনা পাঠানোর হুমকিও ভাল চোখে নেননি অনেকেই। সাক্ষাৎকারটির ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে বাইডেনও প্রেসিডেন্টকে বিঁধে বলেছেন, ‘‘করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ট্রাম্প শিশুদের মতো আচরণ করেছেন। মনে হচ্ছে ওঁকে ছাড়া আমাদের সকলের উপরেই প্রভাব ফেলেছে এই অতিমারি।’’

ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর এই বক্তব্যেরই প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল ট্রাম্পের কাছে। যার জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রথমে বাইডেনের এক গুচ্ছ সমালোচনা করেন। তার পরেই বলেন, ‘‘একটা লোক ভাল করে কথা পর্যন্ত বলতে পারে না।

অথচ উনিই আপনাদের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন। কারণ এ দেশেরই কিছু মানুষ আমায় ভালবাসেন না হয়তো।’’ তার পরেই তাঁর সংযোজন, ‘‘আমি আমার কাজটাই করছি।’’

বেশ কিছু সমীক্ষা আবার এ-ও বলছে, আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে বাড়ছে বর্তমান প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা। মিশিগান, ফ্লরিডা, টেক্সাস, পেনসিলভ্যানিয়া, ভার্জিনিয়ার মতো প্রদেশে ৫০ শতাংশেরও বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত চাইছেন, ট্রাম্পই ফের প্রেসিডেন্টের গদিতে বসুন।

অথচ আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদেরই সমর্থন করারই প্রবণতা ছিল এত দিন। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সচিব সারা ম্যাথিউস সাংবাদিকদের জানান, ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের এমন সমর্থন পেয়ে প্রেসিডেন্ট অভিভূত। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্রথম থেকেই ভারতের সঙ্গে

সুসম্পর্ক গড়ে তোলায় জোর দেন ট্রাম্প। তাই নরেন্দ্র মোদী আমেরিকা সফরে এলে হাউডি মোদী ও ট্রাম্প ভারতে গেলে কেমছো ট্রাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। সারা বলেছেন, ‘‘আমাদের অর্থনীতি, সংস্কৃতিতে ভারতীয়-মার্কিন নাগরিকদের অবদানকে প্রেসিডেন্ট গুরুত্ব দেন।’’

এ দিকে, মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল তোলার জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের অর্থ খরচ করার অধিকার ট্রাম্প প্রশাসনের নেই বলে রায় দিয়েছে মার্কিন ফেডারেল আপিল আদালত।